যারা মসজিদের ইমাম মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষক এবং অন্যান্য সাধারণ চাকরিজীবী তারা এ বিষয়ে ভেঙে পড়েন যে, পণ্য কেনার পর কোথায় এবং কিভাবে বিক্রি করব?
যেহেতু ইমাম, মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষক এবং অন্যান্য সাধারণ চাকরিজীবী ভাইদের কোন দোকান নেই সুতরাং তারা যদি চাকরি ঠিক রেখেই অল্প পুঁজিতে ব্যবসা করতে চান তাহলে তারা পণ্য বিক্রির জন্য কয়েকটি উল্লেখযোগ্য জায়গা টার্গেট করা উচিত। যেমন,
ক. চাকরির ক্ষেত্র বা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে এবং তাদের সাথে ব্যবসার পণ্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট এবং সুন্দরভাবে পণ্যের গুণাগুণ আলোচনা করতে হবে।
খ. নিজের বাড়ী এবং আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে ব্যবসার পণ্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট এবং সুন্দরভাবে পণ্যের গুণাগুণ আলোচনা করতে হবে।
গ. উপরে উল্লেখিত দুটি জায়গায় বসবাসরত কিছু বেকার মানুষ কাজে লাগাতে টার্গেট করতে হবে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এখানে আমাদেরকে যে বিষয়টি লক্ষণীয় তা হচ্ছে, আপনি যদি প্রথম পনের দিনের মধ্যে একজন বেকার মানুষ কাজে লাগাতে পারেন তাহলে আপনি অবশ্যই সফল। আপনি আজ একজন বেকার মানুষ কাজে লাগিয়ে তার কাছ থেকে যদি প্রতিদিন ৫০ টাকা লাভ করেন তাহলে মাসে ১৫০০/- টাকা। তিন মাস পর যদি আরো তিনজনকে এভাবে কাজে লাগাতে পারেন তাহলে মাসে পাবেন ৫০০০/৬০০০ টাকা। অথচ এতে আপনার তেমন পরিশ্রম নেই। তবে এতে সমস্যা হচ্ছে, যাদেরকে এভাবে কাজে লাগাবেন তারা তো মূল পুঁজি খেয়ে ফেলার আশঙ্কা অনেক বেশি।
এখানে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে, অর্থাৎ হকারকে প্রতিদিন সকালে মাল কাগজে লিখে বুঝিয়ে দিবেন। সন্ধ্যার সময় হিসাব নিতে হবে। কিন্তু তাদের থেকে কখনো ৫০/- টাকায় বেশি লাভ করতে চাইলে ব্যবসা জমবে না।
ঙ.যার পরিচিত কেও মহিলা মাদরাসার শিক্ষিকা তাদেরকেও কিছু থ্রি পিস নিয়ে দিতে পারেন তারা অল্প লাভে ছাএীদের কাছে সেল দিবে।আলহামদুলিল্লাহ নিচ্ছেনও।
পণ্য বিক্রি করতে না পারলে করণীয় কী ?
পণ্য বিক্রি করতে না পারলে দুটি কাজ করতে হবে।
প্রথমত: পণ্য কেনার পর শুরুতে যে পণ্য বিক্রি হবে তা সব দিক থেকেই চয়েজ সম্মত হয়। সুতরাং শুরুতে যে পণ্য বিক্রি হবে তা সামান্য বেশি লাভ করে বিক্রি করে শেষের দিকে যে পণ্য বিক্রি হবে তা তুলনা মূলক কম লাভে বিক্রি করতে হবে। এরপরও যদি সম্ভব না হয় তাহলে কেনা মূল্যেই বিক্রি করে দেওয়া উচিত। তাহলে পণ্য ফেরতের জটিলতা সৃষ্টি হবে না।
৬. আমার কাছে যেসব পণ্য পাইকারি দামে পাবেন।এবং কোন সমস্যা দেখা দিলে পরিবর্তন করতে পারবেন
প্রিয় আলেম ওলামা, ইমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষক ভাইয়েরা! আমি কিছু পণ্য পাইকারি বাজারের চেয়েও কম দামে বিক্রি করি।
১. বিছানা চাদর+ বালিশের কভার ২. গামছা মাঝারি সাইজের ৩. গামছা বড় সাইজের।
এছাড়া আপনি আমার কাছে যেসব পণ্য পাইকারিতে সুলভ মূল্যে
১. প্রিন্টের থ্রিপিস ২. নরমাল বাটিকের থ্রিপিস ৩. উন্নত বাটিকের থ্রিপিস ৪. ওড়না নরমাল ৫. ওড়না উন্নত ৬. স্যান্ডার্ট কোম্পানির বিভিন্ন ধরনের লুঙ্গি ৭. বোখারী কোম্পানির বিভিন্ন ধরনের লুঙ্গি ৮.লিলেনের থ্রি পিস। ৯.জড়জেটের থ্রি পিস। ১০.সুতির থ্রি পিস. ১১.চায়না সুতির.।
কয়েকটি লক্ষণীয় বিষয়
১.আমি একজন মাদরাসার শিক্ষক। আমি সপ্তাহে দুইদিন বৃহস্পতিবার আর শুক্রবার ডেলিভারি দেই।এবং আমি যেহেতু পাইকারি দেই আর অনেকেই পাইকারি নিয়ে ব্যাবসা করতেছেন।তাই এতটাকার মাল কন্ডিশনে দিতে পারি না।আপনারা টাকা পাঠালে আমি এখান থেকে কিনে পাঠাবো।এপর্যন্ত দেড় লক্ষ টাকা এভাবে সেল করেছি কারও কোন অভিযোগ অনুযোগ ছিল না।আলহামদুলিল্লাহ। খুলনার এক ভাই ২৪হাজার টাকার মাল নিয়েছেন অগ্রিম টাকা দিয়েছেন তার মালও চলেগেছে।চট্টগ্রামের এক ভাই ৩০হাজার টাকার মাল নিয়েছেন তাও অগ্রিম দিয়েছেন তিনি মালও পেয়ে গেছেন।সুতরাং ভাই ব্যাবসা করব তো সততার সাথেই করব।এটাই অঙ্গিকার লাভ কম সেল বেশী দিব।
২.আমি যেহেতু পাইকারি বাজার থেকে মাল দেই।আর জানেনই তো যে,পাইকারি বাজারে প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন মডেল নতুন ডিজাইনের থ্রি পিস আসে।তাই আপনাদেরকে যে পিকচার দেখাবো তা কেবল সিম্পল হিসেবে।যা দেখাব তা পেলে তো অবশ্যই দিব না পেলে আপনাকে ঐরেটের ঐ কাপড়ের থ্রি পিস দিব।
আমার কাছে পাবেন ২৬০-২৮০-২৯০-৩০০-৩৩০-৩৫০-৩৮০-৪৫০-৫০০-৫৫০-এই রেটে পাইকারিতে পাবেন।
আমার পরিচয়।
আমি কীভাবে কম দামে সেল করি।
প্রথমমত আমি লাভ কম করি ২য় তো আমি থ্রি পিস গুলো সেল করি।বাংলাদেশের থ্রি পিসের বিখ্যাত বাজার গাউছিয়া শেখেরচর বাবুর হাট মাধবদী থেকে তাই কম মূল্যে আমি পাই তাই দিতেও পারি কম দামে।
আমি ইবরাহীম।
প্রথমত: যারা মসজিদের ইমাম মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষক এবং অন্যান্য সাধারণ চাকরিজীবী তারা এ বিষয়ে ভেঙে পড়েন যে, পণ্য কেনার পর কোথায় এবং কিভাবে বিক্রি করব?
যেহেতু ইমাম, মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষক এবং অন্যান্য সাধারণ চাকরিজীবী ভাইদের কোন দোকান নেই সুতরাং তারা যদি চাকরি ঠিক রেখেই অল্প পুঁজিতে ব্যবসা করতে চান তাহলে তারা পণ্য বিক্রির জন্য কয়েকটি উল্লেখযোগ্য জায়গা টার্গেট করা উচিত। যেমন,
ক. চাকরির ক্ষেত্র বা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে এবং তাদের সাথে ব্যবসার পণ্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট এবং সুন্দরভাবে পণ্যের গুণাগুণ আলোচনা করতে হবে।
খ. নিজের বাড়ী এবং আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে ব্যবসার পণ্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট এবং সুন্দরভাবে পণ্যের গুণাগুণ আলোচনা করতে হবে।
গ. উপরে উল্লেখিত দুটি জায়গায় বসবাসরত কিছু বেকার মানুষ কাজে লাগাতে টার্গেট করতে হবে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এখানে আমাদেরকে যে বিষয়টি লক্ষণীয় তা হচ্ছে, আপনি যদি প্রথম পনের দিনের মধ্যে একজন বেকার মানুষ কাজে লাগাতে পারেন তাহলে আপনি অবশ্যই সফল। আপনি আজ একজন বেকার মানুষ কাজে লাগিয়ে তার কাছ থেকে যদি প্রতিদিন ৫০ টাকা লাভ করেন তাহলে মাসে ১৫০০/- টাকা। তিন মাস পর যদি আরো তিনজনকে এভাবে কাজে লাগাতে পারেন তাহলে মাসে পাবেন ৫০০০/৬০০০ টাকা। অথচ এতে আপনার তেমন পরিশ্রম নেই। তবে এতে সমস্যা হচ্ছে, যাদেরকে এভাবে কাজে লাগাবেন তারা তো মূল পুঁজি খেয়ে ফেলার আশঙ্কা অনেক বেশি।
এখানে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে, অর্থাৎ হকারকে প্রতিদিন সকালে মাল কাগজে লিখে বুঝিয়ে দিবেন। সন্ধ্যার সময় হিসাব নিতে হবে। কিন্তু তাদের থেকে কখনো ৫০/- টাকায় বেশি লাভ করতে চাইলে ব্যবসা জমবে না।
ঙ.যার পরিচিত কেও মহিলা মাদরাসার শিক্ষিকা তাদেরকেও কিছু থ্রি পিস নিয়ে দিতে পারেন তারা অল্প লাভে ছাএীদের কাছে সেল দিবে।আলহামদুলিল্লাহ নিচ্ছেনও।
পণ্য বিক্রি করতে না পারলে করণীয় কী ?
পণ্য বিক্রি করতে না পারলে দুটি কাজ করতে হবে।
প্রথমত: পণ্য কেনার পর শুরুতে যে পণ্য বিক্রি হবে তা সব দিক থেকেই চয়েজ সম্মত হয়। সুতরাং শুরুতে যে পণ্য বিক্রি হবে তা সামান্য বেশি লাভ করে বিক্রি করে শেষের দিকে যে পণ্য বিক্রি হবে তা তুলনা মূলক কম লাভে বিক্রি করতে হবে। এরপরও যদি সম্ভব না হয় তাহলে কেনা মূল্যেই বিক্রি করে দেওয়া উচিত। তাহলে পণ্য ফেরতের জটিলতা সৃষ্টি হবে না।