বাংলাদেশের বিশিষ্ট মুফাচ্ছির ও ওয়ায়েজিনে কেরামদের নাম ও ফোন নম্বর

 মাওলানা মুফতী মুস্তাকুন্নবী দাঃবাঃকুমিল্লা। ০১৬৭১৮১০০৮০

(1) মাওঃ খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী মানিকগঞ্জ ০১৭১১৩৭৯৫১২ (SMS)

(2) আল্লামা মুফতি দেলাওয়ার হুসাইন(ঢাকা) ০১৭১১১৫৩০২৯

(3) মুফতি শফি কাসেমী দাঃবাঃ (জামিল মাদরাসা বগুড়া) ০১৭৪৫ ০০৩৩৩৩ ০১৯১৬৪৪৬৬৯৯

(4) মাওঃ আব্দুল বাসেত খান (সিরাজগঞ্জ ০১৭১১০৪৯৮৪৫

(5) মাওঃ খোরশেদ আলম কাসেমী (ঢাকা) মুফতি নোমান কাসেমী ০১৯১৭০৪৫৯৯৬ ০১৭১১৩১১৫০৪

(6)মাওঃ জুনায়েদ আল হাবিব (বি-বাড়ীয়া) ০১৭১১১২৫৪৯৭

(7)মাওলানা ফরিদুদ্দীন আল মোবারক(ফেনী) ০১৭১১২৭০৯২৮

(8)মাওঃ যুবায়ের আহমদ আনসারী (বি-বাড়ীয়া) ০১৭১৫২১৬১৩১

(9)মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ (ঢাকা) ০১৮১৯২৫১০৭০

(10)মাওঃ মুজিবুর রহমান (চাঁদপুর) ০১৮১৯৩৬৯৬১২

(11)মাওঃ মুফতি আব্দুর রাজ্জাক কাসেমী (পাবনা)
০১৭১২০১৯৪৫১

(12)মাওঃ আব্দুল কাদের সিদ্দিকী( সিরাজগঞ্জ)
০১৭১৬০০৮২৯৯

(13)ডক্টর আ. ফ. ম খালেদ হোসেন (চট্রগ্রাম)
০১৮১৯৩৪৪১৬৪

(14)আল্লামা আব্দুল হক আযাদ (মাদরাসা বগুড়া)
০১৭১১-১১৬৫৬৯

(15)মাওঃ কাজি ফজলুল করিম (বগুড়া)
০১৭১২১৪৪০৭৪

(16)মাওঃ আব্দুস সবুর সাহেব জামিল মাদরাসা,(বগুড়া)
০১৭১৬৩৮৮৬৩৪

(17)মাওঃ আব্দুল লতিফ খান ( সিরাজগঞ্জ)
০১৭১৯০৩৮০৯০

(18)মুফতি নাসির বিন আসগর ( নওগাঁ)
০১৭১৬৮৮৪০৩৬

(19)মাওঃ সালেহ আহমাদ অবিরাম,( বগুড়া)
০১৭৩৭৫৮১৯০৪

(20)মাওঃ নজরুল ইসলাম আজাদী
০১৭১০৭৩১০৬০

(21)আল্লামা ড. মুশতাক আহমদ ( ঢাকা)
০১৭১৫৪৩৭৪৪৫

(22)মাওঃ ইয়াহইয়া মাহমুদ ( ফরিদপুর)
০১৮১৯২১৯৩৭৪

(23)মাওঃ হাফিজুর রহমান ছিদ্দীকী ( কুয়াকাটা)
০১৭১৭৩০৩২৩৫

(24)মাওঃ আজিজুল ইসলাম জালালী ( বি-বাড়ীয়া)
০১৭১১৯৮৯৯৪৭

(25)মাওঃ মেরাজুল হক কাসেমী (বি-বাড়ীয়া)
০১৭১১৩৬২৫৭৯

(26)মুফতী মুহসিনুল করিম (বি-বাড়ীয়া)
০১৭১৮৫৬৭৫১৫

(27)মাওঃ আব্দুল খালেক সাহেব (শরিয়তপুরী)
০১৭১৭১৩৯৭০৪
০১৭৪৬৬৪৪৪৩১

(28)মুফতি মাহমুদ উল্লাহ আতিকী (ঢাকা)
০১৭৩২৩১৬০০৯

(29)মাওঃ সিরাজুল ইসলামা সিরাজী (নবমুসলিম) ঝালকাঠি
০১৭১২১৫৬২০৩

(30)মুফতী উসমান গণী মুছাপুরী (মাগুরা)
০১৭৩৯৭৪২৪৪১

(31)মুফতি হেদায়াতুল্লাহ আজাদী
০১৯১৬৮১৮১৯৭

(32)মাওঃআবু নাঈম মুহাম্মাদ তানভীর (চাঁদপুর)
০১৬২৭৯৯৯১৯৭
০১৮২১৩৮৭৭৯৭

(33)মুফতি আব্দুস সালাম, ফরিদাবাদ মাদরাসা
০১৭১১১২১০০২

(34)মুফতী শিহাবুদ্দীন (চাঁদপুরী)
০১৮৭৭৬৮০৯১৫

(35)মুফতী মুসতাঈন বিল্লাহ আল-উসওয়ায়ী ( মাগুরা)
০১৭৫৪৯১৭৩২১

(36)মাওঃ আশরাফ আলী হরষপুরী ( হবিগঞ্জ)
০১৭১৭১৩৯৭০৪

(37)মাওলানা জাকারিয়া (নাটোর)
০১৭১১৪৬৬০৬৩

(38)মুফতী অামজাদ হোসাইন অাশরাফী (বি-বাড়ীয়া)
০১৭১৬৫২৫৩৩৫

(39)মুফতী আনোয়ার হোসাইন চিশতী (নরসিংদী)
০১৮১৯১৫২৫১৩
(40) মুফতি আব্দুর রহমান বেতাগী 01719911764

(40)মাওঃ আতিকুল্লাহ (বি-বাড়ীয়া)
০১৮১৯১৩৩৪০৬

(41)মাওঃ বশির আহমদ (বি-বাড়ীয়া)
০১৭২০২২৩০৮৬

(42)মাওঃ সিরাজুল ইসলাম মিরপুরী (হবিগঞ্জ)
০১৭১১৪৪৭৭৭০

(43)মাওঃ রিজওয়ান রফিকী (যশোর)
০১৯২০২৯৩২৬৪

(44)মাওঃ আবরারুল হক হাতেমী (মুন্সিগঞ্জ)
০১৭৮০০৮০০৪০

(45)মাওঃ রাফি বিন মুনির (সিলেট)
০১৭৩৭১১৮৮৭৮

(46)মাওঃএমঃআনোয়ারুল ইসলাম জাবেরী (বরগুনা)
০১৭১৬৮৯২৪৪১

(47)মাওঃ মোতাসিম বিল্লাহ আতিকী (বি-বাড়ীয়া)
০১৭৩৬৩০৬৩৯১

(48)মুফতী শেখ হামীদুর রহমান সাইফী ( ঢাকা)
০১৭২৬৪৬৮২৫৫

(49)আবদুল মাজেদ আনছারী(বগুড়া)
০১৭১৯৯৩০৪১৬

(50)মাওঃ আজহারুল ইসলাম আজমী (কিশোরগঞ্জ)
০১৭১২৯০৪৫০৩

(51)মাওঃ কামাল উদ্দিন দায়েমী (বি-বাড়ীয়া)
০১৭১১৪৭১৯০৬

(52)মাওঃ কামাল উদ্দিন কাসেমী (বি-বাড়ীয়া))
০১৮১৮২৬৭৪৯৭

(53)মুফতী রুহুল আমিন নুরী বাজিতপুর, (কিশোরগঞ্জ)
০১৭১২৮০৪৭৮৮

(54)মাওলানা মাজহারুল ইসলাম মাজহারী (নরসিংদী)
০১৬৭০৫১৭৯৪৪

(55)মাওলানা মামুনুর রশিদ(বগুড়া)
০১৭৮৩০৮১৪০১

(56)মাওঃ মাহমুদুল হাসান ফেরদাউস (কুয়াকাটা)
০১৭৪২৪১৭৫৮৫

(57)মুফতী এহসানুল হক জিলানী (বি-বাড়ীয়া)
০১৮১৪১০০০০০

(58)মাওঃ মাহবুবুর রহমান জিহাদী (চাঁদপুর)
০১৭১৫৬৬১৮১৭

(59)মুফতি শাহিদুর রহমান মাহমুদাবাদী
০১৭১২৮৩৩৭৬০

(60)মাওঃ মোঃ ইসমাঈল বুখারী (কাশিয়ানী)
০১৭১১০৫৬১১৬

(61)মাও:জয়নুল আবেদীন হাবিবী ( যশোর)
০১৭২১৫৮৭৫০৪

(62)মাওঃ ইউসুফ বিন এনাম শিবপুরী (নরসিংদী)
০১৭৩৪৬৩৫৫২৯

(63)মাওঃ শাববীর আহমদ উসমানী (সুনামগঞ্জ)
০১৭২০৮২৫৭২৫

(64)মুফতী জাহিদুল ইসলাম যায়েদ (যশোর)
০১৭৮২২৭২৭৮৫

(65)মাওঃ আব্দুল কাইয়ুম জামী (কিশোরগঞ্জ)
০১৭১২৫৭৮৬১০

(66)মাওঃআবুল কালাম আজাদ চুনারুঘাট, (হবিগঞ্জ)
০১৭১৬৯২৭০১৭

(67)মাওঃ ইসমাইল হোসাইন সিরাজী (বি-বাড়ীয়া)
০১৭১৪৫৮৩৮৩৯

(68)মাওঃ নুরে আলম আশরাফী (বি,বাড়িয়া)
০১৭১২৮৯৬০৮০

(69)মুফতী আব্দুর রহিম হেলালী (লহ্মিপুর)
০১৭১১০৬১০৭৫

(70)মুফতী ওমর ফারুক যুক্তিবাদী (কুমিল্লা)
০১৭১০০৭০৫৫৩

(71)আল্লামা মুফতি আবু সাইদ দা: বা: (ফরিদাবাদ)
০১৯১৮৮৬১৪৪৬

(72)মাওঃ মুশাহিদ আহমদ উজিরপুরী (সিলেট)
০১৭২৫২৯৮৯৩৫

(73)মাওঃ কাজিম উদ্দীন (অন্ধ হাফেজ)( মোমেনশাহী)
০১৭১৬১৮২৩৯৯

(74)মাওঃ ফেরদাউসুর রহমান (নারায়নগঞ্জ)
০১৭১১৯০৬৩২৬

(75)মাওঃ মুফতী হারুনুর রশিদ
০১৯১৮৪২০৩৭১

(76)হাফেজ মাওঃ আবুল কাসেম (চাঁদপুর)
০১৯২৩২২৬৮৩৫

(77)হা:মাওলানা মামদুদুর রহমান (শেরপুরী)
০১৭২৩৪৬৭৬২৯

(78)মুফতী ওয়ালী উল্লাহ
০১৭১১০১০২৭৬

(79)মাওঃ আবু নাঈম মুহাম্মাদ তানভীর (চাঁদপুর)
০১৬২৭৯৯৯১৯৭
০১৮২১৩৮৭৭৯৭

(80)মাওঃ আশরাফ আলী হরষপুরী (হবিগঞ্জ)
০১৭১৭১৩৯৭০৪

(81)হাঃমাওঃআবুল হাসান (সাদী) সিলেট।
০১৭১৫৪১৭১৮৬

(82)মুফতী রুহুল আমিন নুরী বাজিতপুর (কিশোরগঞ্জ)
০১৭১২৮০৪৭৮৮

(83)আবদুল মাজেদ আনছারী(বগুড়া)
০১৭১৯৯৩০৪১৬

(84)হা:মা:মুফতি মুকিমুদ্দিন (নাটোরী)০১৭২১৪২২৪১৪

(85)মাও:আবদুস সালাম (নাটোরী)
০১৭৩৬৮৯০৭১৭

(86)মুফতি মিজান (সিরাজগঞ্জ)
৯১৭৮২৬৭১৬২১

(87)আল্লামা মুফতি আমজাদ হুসাইন(কুমিল্লা)
০১৭১২৫৮১৬৫৯

(88)মাওলানা নজির আহমদ(টঙ্গী)
০১৭১৫০৩৬৭৬০

(89)মুফতি মুনির হুসাইন(ঢাকা)
০১৯৩৭১৬৪৫৯১

(90)মুফতি মাহমুদুল হাসান(কুমিল্লা)
০১৮৪৫৭০১৩৯৯

(91)মাওলানা আনিসুর রহমান আশরাফী(কুমিল্লা)
০১৮১৯-০৩৭৭৭১

(92)মাওলানা হারিছ উদ্দিন(ঢাকা)
০১৭১৭১৯৮১০৬

(93)মুফতী শাহ জামালউদ্দিন রব্বানী (নাটোর)০১৭১০৭৯০৫৫৩

(94)মুফতী মাওঃআব্দুল কাদের বিেপ্লবী (চাঁদপুর)  0১৭৫৬33৩২৫০২০

(95)মাওলানা ডাঃমোঃফখরুদ্দিন পাঠান, প্রভাসক হাজী আপ্তাব উদ্দিন আমেনা খাতুন ডিগ্রী কলেজ,জুরী,মৌলভীবাজার।
০১৯১১৫১২০৫২

(96)মাওলানা মুজ্জাম্মেল ইবনে মুসলিম (চাঁদপুর)
০১৬৮৩৬২৪৬১০

(97)হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফয়েজী (কুমিল্লা)
০১৬৮৬৩৫৯২৩৮

(98)মুফতী হাফেজ মাওলানা ইমরান হোসাইন মাদানী (কুমিল্লা)
০১৯৪১৪১৪২৪৩

(99)মুফতী হাফেজ মাওলানা মোঃতুফায়েল আহমাদ (কুমিল্লা)
০১৬১৫৭৩৫৭৬০

(100)হাফেজ মাওলানা আবু তৈয়ব সিরাজী(কুমিল্লা)
০১৭২০৩২৫৭৬৭

(101) ক্বারী আব্দুল্লাহ আল আমিন (01712-053688)(102)

কামরুল ইসলাম সাঈদী আনসারী (01977-885599)(103)

জহিরুল ইসলাম আল জাবেরী (01711-195911)(104)

মিজানুর রহমান আল আজহারী ( 01785-500393)

(105) শেখ সিদ্দিকুর রহমান (01837-112233)
(106) ড.মুফতি আবুল কালাম আজাদ বাশার (01716-251834)
(107) মোল্লা নাজিম উদ্দিন (০1711-263570
(108) সাদিকুর রহমান আল আজহারী (01703-987070)
(109) ফখরুদ্দিন আহমেদ (01711-489714)
(110) রেজাউল করিম খান (01712-898448)
(111) মুহাদ্দিস মাহমুদুল হাসান (01712-646213)
(112) নাসির ইকবাল বিন শাফি (01711-451478)
(113) আব্দুল জব্বার আল মামুন (01818-843347)
(114) আবদুর রহমান নাদিমি (01712-181218)
(115) মেহেবুল্লাহ সিদ্দিকী (01723-471913)
(116) মুফতি আমীর হামজা (01727-964987)
(117) নুরুল ইসলাম কাশেমী (01849444578)
(118) নাসির উদ্দিন হেলালী (01711-134199)
(119) আবুল বাশার হেলালী (01714-641489)
(120) এ.টি.এম.তাজুল ইসলাম (01812-941914)
(121) গোলাম রাব্বানী যুক্তিবাদী (01719-802245)
(122) মাওলানা জামাল উদ্দিন (01716-760355)
(123) মুফতি আরিফ বিল্লাহ সিদ্দিকী (01711-958301)
(124) মাওলানা গোলাম আযম (01716-476467)
(125) মামুন হোসাইন হাবিবি (01973329033)
(126) দেলোয়ার হোসাইন হুজাইফি (01743-297585)
(127) অব্দুল মান্নান আনসারী (01710-764491)(128) মুহাদ্দিস রফিক উল্লাহ আফসারী (01828-128465)
(129) জালাল উদ্দিন রুমি (01863-183071)
(130) হাঃ মাওঃ শুয়াইব আহমদ আশরাফী (01735-891787)
(131) মাওঃ মাসুম ফারদিন (01721-991178)
(132) মাওঃ ইমাম উদ্দিন (01834-235070)
(133) মাওঃ হাচান আনসারী (01915-158858)
(134) আমিরুল ইসলাম কাওছার (01704-347750)
(135) মাওঃ আল আমিন হোসাঈন (01787-703070)
(136) মাওঃ জসিম উদ্দিন (01813-5198804)
(137) মাওঃ মুফতি আমির হোসাইন লাকসামী (01624-591417)
(138) হাঃ মাওঃ হাবীবুল্লাহ মেসবাহ (01717-146988)
(139) মোস্তফা মাহবুবুল আলম (01767-798259)
(140) রাকিবুল ইসলাম শামীম (01786-470594)
(141) হাফেজ মনোয়ার হোসেন মোমীন (01740-593381)
(142) মুফতি মোহাম্মদ জাকারিয়া ( 01718-512714 )
(143) নূর মোহাম্মদ সিরাজি (01749-088031)
(144) নূর মোহাম্মদ বারাকাতী (01734-553312)
(145) আহমদ আলী মোল্লা (01858-365610)
(146) ইব্রাহিম খলিল (01714-557317)
(147) মুহাম্মদ হাবিবুর রশিদ (01718-006103)
(148) মাহবুব ইজ্জুদীন (01717-501491)
(149) হাফেজ এমদাদুল হক সুলতানী (01712-722785)
(150) আশরাফ বিন মোবারক সিদ্দিকী (01776-098023)
(151) আহসানুল্লাহ জীহাদি (01717-885437 )
(152) ওহেদুজ্জামান সেলিম (01723-318472)
(153) আব্দুল কাদের জিহাদি (01735-586387)
(01735-586327)
(154) ফখরুদ্দিন হেলালী (01824-832273)
(155) মাওলানা রেজাউল ইসলাম উজ্জল- (01712-766817)
(156) সাইয়্যেদ এইচ,এম,শহীদুল ইসলাম (01712-502223)
(157) রুহুল আমিন (01716-334746)
(158) মাহফুজুর রহমান দিনাজপুরী (01724-443401)
(159) আব্দুল মুমিন বিন দুরুল হুদা- (01737-779331)
(160) আব্দুল্লাহ আল মামুন (01716-571890)
(161) নাজমুল হাসান (01741-092982)
(162) হাফেজ আফতাব আহমেদ (01717-883612)
(163) মাওঃ নাজমুল হক (01718-897215)
(164) রেজাউল করিম নওগাঁ (01711-451435)
(165) শাহজাহান সাঈদী (01714-501885)
(166) হাফেজ ইদ্রিস আলী (01751-188583)
(167) ইমাম হাসান সাঈফী (01721-540444)
(168) আব্দুর রহিম আল মাদানী (01703-520012)
(169) শাইখুল ইসলাম শাইখ (01718-057335)
(170) মুহাদ্দিস মনিরুজ্জামান (01918-095088)
(171) আখিরুজ্জামান আজাদি (01734-675870)
(172) আবু বকর সিদ্দিক (01710-245548)
(173) অব্দুল বারি রাশিদী (01736-597617)
(174) মাওলানাঃ গোলজার হুসাইন (01711-964697)
(175) ড. শিবলী মাহমুদ সাঈদী (01912-707222)
(176) মুফতি আব্দুল কুদ্দুস (01911-177242)
(177) ফয়সাল আহমেদ হেলালী (01975-243454)
(178) আবুল কালাম আজাদ (01716-824567)
(179) আবুল কালাম আজাদ (01781-358926)
(180) আব্দুল গফ্ফার যশোরী (01711-341240)
(181) গোলাম মাওলা ফারুকী (01819-174144)
(182) মাওলানা মহিউদ্দিন (01712-212996)
(183) মুফতি আব্দুর রহমান (01721-990793)
(184) আব্দুর রহিম জামালী (01918824896)
(185) মুফতি মুহাঃ আফজাল হুসাইন (01914718878)
(186) মাওলানা জহিরুল ইসলাম জিহাদী   01718957485
(187)হাফেজ মাওলানা মহিউদ্দিন সাঈফী ০১৭৬৬৭৩৩২২৩
(188)মাওলান আবু নসর আশরাফী, হাজীগঞ্জ।
(01718583663)                                                (189) ক্বারীঃ মাওলানাঃমুফতিঃ কামরুল ইসলাম জিহাদী, যশোর।                                           (01739-87-84-93)                                             (190) হাফেজঃ মাওলানাঃ
মোঃ ওমর ফারুক হুসাইন, নওগাঁ।              (01795-02 86 54  )
(191)মাওলানা মুফতি মাহবুবুর রহমান মিজবাহ ঢাকা
01741570928
(192)  মুফতি ফরিদ উদ্দিন রহমানি রাজবাড়ী  01710921147  01914578174
(193) মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ কুয়াকাটা 01712379748
(194)  মুফতি এইচ এম কাওছার বাঙ্গালী, বরিশাল 01715917216
(195) কারী  মো:নুরুল আলম নুরী  –  ময়মনসিংহ
01642601630
আপনাদের জানামতে আরো কোন বক্তা তাকিলে কমেন্ট করে নাম্বার দিন।

অতি শীঘ্রই উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আল-মাদানী এক্সক্লুসিভ

আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানি এবং ওলামায়ে কেরামদের দোয়া ও মেহনতে, উত্তরবঙ্গ বাসিদের ঢাকা যাতায়াতের সুবিধার্থে অতি শীঘ্রই উদ্বোধন হবে “আল-মাদানী এক্সক্লুসিভ”।

উদ্বোধন তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ইংরেজি

সার্বিক সহযোগিতায় :
১। হাঃ মাঃওসমান সাহেব (দাঃ বাঃ)
২। মুফতি মোঃ ইব্রাহিম খলিল আল মাদানী সাহেব (দাঃ বাঃ) MD Ibrahim Khalil ( চেয়ারম্যান : আল মাদানী গ্রুপ লিমিটেড বাংলাদেশ)

পরিচালনায়ঃ আবুযর গিফারী

বিঃ দ্রঃ বাস সেইম ডিজাইনের নন এসি হবে।

হে বোন! বোরকাতে আপনি পরাধীন নন।আল্লামা হাসান জামিল দাঃবাঃ

হে বোন! একটু ভাবুন!

(ক) হে বোন! বোরকাতে আপনি পরাধীন নন, এখানেই তো প্রকৃত স্বাধীনতা। কারণ, এখন আপনার ইচ্ছার উপরই সব, নিজের মুখাবয়ব কাকে দেখাবেন, কাকে দেখাবেন না—সব আপনার ইচ্ছাধীন, আপনি যে স্বাধীন!

আর যদি খোলামেলা থাকেন, তখন রিক্সাচালক, ভ্যানচালক, লম্পট, ধর্ষণের সেঞ্চুরিয়ান, চেতনাধারী গোবরমনা কাকে রুখবেন? আপনি তো স্বাধীন নন, সবার লোলুপ দৃষ্টি, কামাতুর কল্পনা… কাকে আটকাবেন? নাহ সম্ভব নয়, আপনি পরাধীন!
ইসলাম আপনাদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা, সম্মান সব দিতে চায়, নিবেন না বোনেরা?

(খ) ক’দিন আগে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলাম, কাছ থেকে দেখেছি, আমার ড্রাইভারের কোনো দোষ ছিল না, তারপরও দুর্ঘটনার কবলে পড়লাম। বোঝা গেল, নিজেদের সতর্কতার পরেও অন্যের অসতর্কতায় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সেটা দুর্ভাগ্য; জাস্ট এক্সিডেন্ট! আচ্ছা এখন কেউ কি বলবেন যেহেতু অন্যের কারণেও দুর্ঘটনায় পড়তে হয় তাই আমি সাবধান থেকে কী লাভ? নিশ্চয়ই এটা অবিবেচকদের কথা? বোন পর্দা করেও দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন অন্যের কারণে, তাই বলে আপন…?
আমরা সেই “অন্যের” দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, আপনি নিজেকে সেভ করুন প্লিজ!

(গ) অনেকের অভিযোগ, আমরা কেবল আপনাদেরকেই বলি, পুরুষদের কথা বলি না। কথাটা ডাহা মিথ্যা, আমরা সবাইকেই বলি।
তবে আপনাদেরকে বেশি বলার কারণ আছে, পুরুষদের পর্দার বিধান যেনো সে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পায়, কারণ অনেক থাকতে পারে, মূল এটাই।

আর আপনাদেরকে বলার মূল কারণ দু’টি;
ক. যেনো আপনিও জাহান্নাম থেকে বাঁচেন;
খ. নিজেকে লম্পটদের কু-দৃষ্টি থেকে আড়াল করে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।
আপনার নিজের নিরাপত্তার জন্যই আপনাকে বেশি তাকিদ! দেখুন না, আমি রাস্তায় চলি একা একা, অথচ প্রধানমন্ত্রীর কতো গার্ড! কারণ কী? কারণ তার সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপত্তা। আপনিও আমাদের কাছে কম মূল্যের নন, তাই আপনার পর্দা আর নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের এতো মাথাব্যথা।  ভুল না বুঝে একটু ভাবুন প্লিজ!

মাদ্রাসার হুজুর তার ছাত্রের সাথে বলাৎকার। মুফতী নাজমুল হক খান

বিসমিহী তায়ালা
কথাগুলো লিখতে চেয়েছিলাম না, কিন্তু কিছু আলেম বিদ্বেষীদের জন্য লিখতে বাধ্য হলাম।
মাঝে মাঝেই বিভিন্ন জায়গা থেকে খবর আসে মাদ্রাসার হুজুর তার ছাত্রের সাথে বলাৎকার করেছে দুঃখিত এরকম ভাষা ব্যবহার করার জন্য। কিন্তু একটা বার কি খেয়াল করেছেন? এ সমস্ত খবর আসার কারণে সুন্নিরা আলেম সমাজকে কি পরিমান গালি দেয়? তাদের কথা না হয় বাদই দিলাম সাধারণ মানুষ যারা আছেন, যারা ছেলেদেরকে বড় আলেম বানানোর স্বপ্ন দেখেন, কিন্তু এই সমস্ত নিউজ দেখার পর ভয়ে আত্মসম্মানবোধে নিজের ছেলেকে মাদ্রাসায় দিতে চায়না, তাদের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায়, সাথে সাথে ওলামায়ে কেরামের প্রতি জন্ম নেয় প্রচন্ড আকারে ঘৃণা।

এবার আসুন জেনে নেই যে শিক্ষকগণ তাদের ছাত্রদের সাথে বলাৎকার করে আসুন জেনে নেই আমাদের মাথার তাজ যাত্রাবাড়ীর শায়খ মাওলানা মাহমুদুল হাসান এর মুখ থেকে- তিনি তার মাদ্রাসার একটি ঘটনাকে তার মসজিদের বয়ান করেছিলেন যার সারমর্ম হলো, একজন ছাত্রের মতিগতি ভাল ছিলনা, তার আচার-আচরণ হুজুরদের যথেষ্ট সন্দেহের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল তৎক্ষণাৎ ছাত্রকে বড় হুজুরের কাছে নিয়ে আসা হয় অনেকক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সেই ছেলে রাজি হয় যে সে একজন হিন্দু। পরবর্তীতে তাকে অনেকক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর আরো জানতে পারা যায় যে এই মাদ্রাসায় আরো 10 জন ছাত্র এমন আছে যারা হিন্দু,

-হুজুর তখন তাকে জিজ্ঞেস করেন আর নয় জন ছেলে কে কে তাদেরকে আমার সামনে হাজির করো।
-তখন ঐ হিন্দু ছাত্রটি বলেন আমাকে আপনার কাছে আসা দেখে ওরা সকলেই পালিয়ে গেছে।
তাকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও তোমরা কেন মাদ্রাসায় পড়তে এসেছো?
উত্তরে তখন সে বলে আমি সহ যারা সারা বাংলাদেশে মাদ্রাসায় পড়ালেখা করে তাদের একটা উদ্দেশ্য কওমি ওলামায়ে কেরামের দুর্নাম যাতে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। তার জন্য সকল ধরনের অপরাধ তারা করে থাকেন এবং পরবর্তীতে বিচারের আওতায় নেওয়া হলে তাদের সংগঠনের মাধ্যমে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়।

উপরোক্ত ঘটনা থেকে অবশ্যই এতক্ষণে বুঝে গেছেন এই সমস্ত কাজ কারা করে থাকেন? সুতরাং প্রত্যেকটি জায়গায় এ ব্যাপারে সকলেই সতর্ক থাকুন এবং মানুষকে এ ব্যাপারে বুঝান।

একটা কথা মনে রাখবেন। ইহুদি, খ্রিস্টান ,হিন্দু সকলেরই একটাই চাওয়া যাতে করে মুসলমানদেরকে নিঃশেষ করা যায়। আর মুসলমানদেরকে নিঃশেষ করতে হলে সর্বপ্রথম মাদ্রাসার দিকে আঙ্গুল তুলতে হবে।সুতরাং সকল ওলামায়ে কেরাম এবং ছাত্র ভাইয়েরা সাবধান!
এ সমস্ত ঘটনা যত জায়গায় হচ্ছে আমাদের হক্কানী আলেম গন লজ্জায় কোন উত্তর দিতে পারতেছে না। যার দরুন বাতিলরা ওলামায়ে কেরামের বিরুদ্ধে ইচ্ছে মত সমালোচনা করে যাচ্ছেন। যা আমাদের এই ইলমে লাইনের সকলের জন্য বড় ক্ষতি।
আল্লাহতালা সকলকেই বুঝে তদনুযায়ী আমল করার তৌফিক নসিব করেন। আমীন।

এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের দায়িত্ব শুধু বিরোধীদলের? আমাদের কোনো দায়িত্ব নেই?

আমাদের ভাবটা হলো এমন, সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের দায়িত্ব শুধু বিরোধীদলের। আর আমার আপনার দায়িত্ব হচ্ছে, ঘরে বসে চায়ের কাপে ঝড় তোলা। সমালোচনা করা। বিরোধী আন্দোলনের ঘোষণা শুনে হাসি তামাশা করা।
এভাবেই চলছে বছরের পর বছর। যে কোনো একটা বড় অঘটন ঘটে গেলে কিছুদিন নিরাপদে ফেসবুকীয় আন্দোলন চলে। এরপর আরেকটা ইস্যু আসে। আগেরটা হারিয়ে যায়। কিন্তু এসব অন্যায় অনাচারের মূল আশ্রয় প্রশ্রয়দাতার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলে না।
যতদিন পর্যন্ত মানুষ সমস্যার মূলে আঘাত না হবে। বিচ্ছিন্ন এসব ঘটনার পিছনের না পরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে আন্দোলনে না হব, ততোদিন পর্যন্ত এই পরিণতিই ভোগ করতে হবে। এর চেয়ে ভালো আশা করা অন্যায়।
বিরোধীদল গুলো আমাকে আপনাকে ডাকতে ডাকতে ক্লান্ত হয়ে গেছে। আমি আপনি জালিমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো এই আশায় কত আন্দোলনের ঘোষণা হয়েছে। আমরা সাড়া দেইনি। আর আন্দোলনের ঘোষণাও আসে না। এখন খুশি তো?
এখন খারাপ লাগে কেন? এখন কেনো কাঁদতে ইচ্ছা করে? এটাই আমাদের অনিবার্য পরিণতি।

আসুন ভালো কিছু করার পরিকল্পনা করি। মিজাানুর রহমান আজহারী

আব্দুল্লাহ ইবনে ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ‬) বলেছেনঃ আল্লাহ তায়ালা ভালো কাজ ও মন্দ কাজগুলোকে লিপিবদ্ধ করে রাখেন। অত:পর, যে ব্যক্তি কোন ভালো কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করে, কিন্তু তা করেনি তখন আল্লাহ তায়ালা তার আমলনামায় একটি পূর্ণ ভালো কাজের সাওয়াব বা প্রতিদান লেখার আদেশ দেন। আর যদি ভালো কাজের ইচ্ছা পোষণ করার পর সে তা বাস্তবায়ন করে, তখন আল্লাহ তায়ালা তাকে এই একটি ভালো কাজের জন্য দশ গুণ হতে সাতশ’ গুণ, বরং বহুগুণ বেশি সাওয়াব দান করেন। পক্ষান্তরে, যদি কোন ব্যক্তি কোন পাপ কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করে, কিন্তু বাস্তবে তা না করে, তখন সঙ্গে সঙ্গে তার আমলনামায় কোন গোনাহ লেখা হয় না বরং আল্লাহ তায়ালা তার জন্য এটাকে একটি পূর্ণ নেক কাজ হিসেবে লিখে নেন (যেহেতু পাপ কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করেও সেটা সে করেনি)। আর কেউ যদি কোন পাপ কাজের ইচ্ছা পোষণ করার পর তা বাস্তবে করে ফেলে, তখন আল্লাহ তায়ালা এর জন্য শুধুমাত্র একটি গুনাহ লিখে রাখেন। [মুসলিম]

হাটহাজারির ছাত্র আন্দোলন সফলতা, প্রশ্ন ও বিভ্রান্তি নিয়ে কিছু কথা Ehsanul Haque

কওমি মাদরাসার ইতিহাসে এক অভাবনীয় ছাত্র আন্দোলন হয়ে গেলে হাটহাজারিতে। কওমি অঙ্গনে ছাত্র আন্দোলন অপ্রত্যাশিত হলেও সেটা ছিলো পুঞ্জিভূত ক্ষোভের অনিবার্য বিস্ফোরণ। মাত্র দুইদিনের কর্মসূচিতে জগদ্দল পাথরের মত বসে থাকা দালালদের দম্ভ ও গবের্র ভীত তছনছ হয়ে গেলো। ছাত্র আন্দোলন সফল হয়েছে এতে কোনো সন্দেহ নাই। তবে কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলাপ করা জরুরি মনে করছি।
১. আন্দোলনের এই সফলতাকে চূড়ান্ত বিজয় মনে করে অতি উৎসাহি হওয়ার সুযোগ নাই। কওমি অঙ্গনে যে দালাল শ্রেণি গড়ে উঠেছিলো, সেখান থেকে মাত্র একজনকে অপসারণ করা হয়েছে, বাকি সবাই কিন্তু বহাল তবিয়তে এখানো আছে। তারা তাদের কাজ ঠিকই করে যাচ্ছে। আর যারা এই দালাল শ্রেণী সৃষ্টি করেছে, তারা তো ছায়া হয়ে আছেই। কাজেই তৃপ্তির ঢেকুড় তোলার সুযোগ নাই।
২. আল্লামা আহমদ শফিকে অপসারণ করা হয়নি। তিনি এখনো হাটহাজারির সর্বোচ্চ সম্মানজনক পদ সদরে মুহতামিম হিসেবে আছেন। তবে তার অসুস্থতার কারণে তার যে ক্ষমতাকে অন্যরা ব্যবহার করতো সেই ক্ষমতাটা এখন শুরাকে দেয়া হয়েছে। তিনি ভার মুক্ত হয়ে নিরাপদ সম্মানজনক স্থানে আছেন। এবং এই পদেই সম্মানের সাথে থাকবেন।
৩. হাটহাজারির এই সফল আন্দোলনের ক্রেডিট নিয়ে যে, কথা উঠেছে এটা সম্পূর্ণ অবান্তর। এখানে অন্য কারো কোনো অবদান নেই। এই আন্দোলনের ক্রেডিট সম্পূর্ণ হাটহাজারির ছাত্রদের। এখানে অন্য কেউ ক্রেডিট নেয়ার দাবি করেছে এমন কিছুও নজরে পড়েনি। অযথাই ক্রেডিট নিয়ে টানাটানির কথা বলার অর্থ হলো অন্যকে হেয় করা। যার কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।
৪. ঢাকার উলামায়ে কেরামের ভিডিও বার্তা নিয়ে বেশ কথা হচ্ছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৮ টায় তাদের মিটিং শুরু হয়েছিলো। আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে কিছুটা সময় লেগেছে। কিন্তু এর আগেই হাটহাজারির ফায়সালা হয়ে গেছে। কালকে রাতে ফায়সালা না হলেও এই লাইভ ঠিকই হতো, এবং তখন বুঝা যেতো এই লাইভের গুরুত্ব কতটুকু। দালালদের বিরুদ্ধে ঢাকার যেসব উলামায়ে কেরাম ভুমিকা রাখছেন তাদেরকেও যদি প্রশ্নবিদ্ধ করা হয় তাহলে বাকি থাকে কি?
৫. হাটহাজারি আন্দোলনের ইন্ধনদাতা হিসেবে অনেকেই মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। দালালদের নামে বেনামে যতগুলো আইডি আছে সবগুলো আইডি থেকে এই আন্দোলনের জন্য সবার আগে আল্লামা বাবুনগরী ও মাওলানা মামুনুল হকের বিষাদগার করা হচ্ছে, এরপরও কি মামুন সাহেবের দায়িত্ব ছিলো তাদের অভিযোগগুলোকে সত্য প্রমাণের জন্য ফেসবুকে বারবার স্ট্যাটাস দেয়া?
৬. ডাকসু ভিপি নূরের কর্মসূচি নিয়ে অনেকের আপত্তি দেখলাম। ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখলাম। ঢাকায় সমাবেশ করার দায়িত্ব ছিলো কওমি অঙ্গনের ছাত্র সংগঠনগুলোর, আমি মনে করি ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও নানান কারণে তারা করতে পারেনি। আমরা নিজেরা করবো না, আর কাউকে করতেও দিবো না এটা কেমন কথা? আর বিপ্লব কি একা একা হয়? কোনো বিপ্লবের পক্ষ সবশ্রেণীর সমর্থন থাকলেই সেটা সফলতা লাভ করে।

৭. এই আন্দোলনের সাথে যারা ছিলো, ছাত্র জনতা ও আলেম উলামা। আমি তাদেরকেই কওমি অঙ্গনের মূল শক্তি মনে করি। প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে যারা যেভাবে সহযোগীতা করেছে তারাই ঠিক করবে কওমি অঙ্গনের ভবিষৎ। যারা এই আন্দোলনকে শুরু থেকেও প্রশ্ন বিদ্ধ করার চেষ্টা করেছে, তারাই সুবিধাবাদি। এরা কওমি অঙ্গনের ঐক্য বিরোধী। সব সময়ই এরা স্রোতের বিরুদ্ধে চলে স্রোতকে প্রশ্ন বিদ্ধ করেছে। এদের ভিতরে থেকেও কিছু মানুষ আন্দোলনের সাথে ছিলো, তাদের সাধুবাদ জানাই।

যেভাবে মানুষের ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগিয়ে প্রতারনা করছে

মুফতী সাহেব হুজুরের বাসায় একবার জনৈক মৌলভী বেশভূষার এক লোক মাদরাসার কালেকশনের জন্য এসেছেন। হুজুর তাকে বসতে দিলেন। তাকে জিজ্ঞাসা করলেন কোথা থেকে এসছেন? কোন মাদরাসার পক্ষ থেকে? লোকটি যে মাদরাসার নাম বললো সেখানকার প্রিন্সিপাল সাহেব হুজুরকে খুব ভালভাবে চেনেন। হুজুর আলাপ করতে চাইলে লোকটি কাচুমাচু শুরু করে দিলেন (!) হুজুর লোকটির কাছে একটি রশিদ চাইলেন। হাতে নিয়ে দেখলেন প্রতিটি রশিদের পাতায় একই তারিখের সীল মারা অর্থাৎ একটা রশিদকে ফটোকপি করে বাকিগুলো বানিয়েছে। খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়- এই লোকটি মাদরাসায় কখনো পড়েনি এবং সেই মাদরাসার সাথেও কোন সম্পর্ক নেই। মাদরাসা কর্তপক্ষও এভাবে কালেকশন করেন না (যদিও অনেক জায়গায় কালেক্টর রেখে টাকা কালেকশন করতে দেখা যায়)। আগত লোকটি চিনতে পারেনি যে, কার কাছে এসেছে এবং তিনি কে?

এটাতো অফলাইনের ঘটনা। আজ এক ভাই অনলাইনে একটি ম্যাসেজ পাঠিয়েছেন যে, জনৈকা হাফেজা নামধারী এক ফেসবুক আইডি ম্যাসেজ দিয়েছে ৩০ জন কুরআনে হাফেজের জন্য ৩০টি কুরআন শরীফ প্রয়োজন। হাদিয়া দিতে চাইলে বিকাশ করুন (স্ক্রীনসট সংযুক্ত)। তার ও মাদরাসার পরিচয় জানতে চাইলে অস্পষ্ট কথাবার্তা বলেন। এ্যাপসের মাধ্যমে তার নম্বর চেক করলে নম্বরটি একজন পুরুষের নামে রেজিষ্ট্রিকৃত দেখা যায়। এটা তাকে প্রকাশের সাথে সাথেই ব্লক করে দেয়। এভাবে মানুষের ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগিয়ে প্রতারনা করছে বলেই প্রতীয়মান হয়। সুতরাং অনলাইন হউক কিংবা অফলাইন; আপনারা অবশ্যই জেনেশুনে দান-সদকা করুন যেন আপনার আবেগকে কাজে লাগিয়ে কেউ প্রতারণা করতে না পারে। মুফতি সাহেব হুজুরকে দেখা যায় প্রতিটি লেনদেনের বিপরীতে রশিদ প্রদান করেন এবং সেই খাতেই দানকৃত অর্থ ব্যয় করে থাকেন। এমন স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলা আমাদের ঈমানী দায়িত্ব। আল্লাহপাক মুফতী সাহেব হুজুরকে সুস্থতার সাথে দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুন এবং আমাদেরকেও তাঁর ন্যয় আমানতদারীর সাথে যেকোনো কাজ করার তৌফিক দান করুন।